دریافت مشاوره رایگان

Get Free Consultation

ما اینجا هستیم تا در هر مرحله از مسیرتان همراهتان باشیم و با مشاوره تخصصی و پشتیبانی کامل، همه نیازهای شما در زمینه درمان‌های پزشکی و زیبایی در ایران را پوشش دهیم.

  • ما را در اینستاگرام دنبال کنید

  • در کانال یوتیوب ما عضو شوید

ইসলামে কি সারোগেসি অনুমোদিত?

پزشک تاییدکننده: دکتر علی بزازی

آنچه در این مقاله می‌خوانید

ইসলামে সারোগেসি একটি জটিল ও বিতর্কিত বিষয়। এর সঙ্গে ধর্মীয়, নৈতিক, আইনগত ও সামাজিক নানা দিক জড়িত। এটি শুধু চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি পদ্ধতি নয়; বরং পরিবার, বংশধারা (নাসাব) এবং পিতা–মাতার পরিচয়

ইসলামে কি সারোগেসি অনুমোদিত?
ইসলামে কি সারোগেসি অনুমোদিত?

ইসলামে সারোগেসি একটি জটিল ও বিতর্কিত বিষয়। এর সঙ্গে ধর্মীয়, নৈতিক, আইনগত ও সামাজিক নানা দিক জড়িত। এটি শুধু চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি পদ্ধতি নয়; বরং পরিবার, বংশধারা (নাসাব) এবং পিতা–মাতার পরিচয় নিয়ে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
এই বিষয়ে বিভিন্ন ইসলামি আলেম ও ফিকহ মতভেদে ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়েছেন। এই আর্টিকেলে আপনি জানতে পারবেন—
সারোগেসি সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি, সুন্নি ও শিয়া মতামত, কুরআন–হাদিসভিত্তিক ব্যাখ্যা, ২০২৫ সালের বর্তমান অবস্থা এবং বিজ্ঞান ও শরীয়াহ একসঙ্গে কীভাবে বিষয়টি দেখে।

ইসলামে কি সারোগেসি অনুমোদিত?

সারোগেসি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে একজন নারী অন্য দম্পতির সন্তানের জন্য গর্ভধারণ করে সন্তান জন্ম দেন। ইসলামে সারোগেসির বৈধতা নিয়ে একটি একক মত নেই।

সুন্নি ও শিয়া মাজহাবে এ বিষয়ে ভিন্ন মতামত রয়েছে। সাধারণভাবে সুন্নি ইসলামি আলেমরা সারোগেসিকে অনুমোদন করেন না, কারণ এতে তৃতীয় পক্ষ যুক্ত হয় এবং এতে বংশধারা (নাসাব) নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।

অন্যদিকে শিয়া ইসলামিক আলেমরা কিছু নির্দিষ্ট শর্তে সারোগেসিকে অনুমোদন দিয়েছেন। বিশেষ করে তখন, যখন ডিম্বাণু ও শুক্রাণু শুধু স্বামী–স্ত্রীরই হয় এবং সারোগেট মা শুধু ভ্রূণ বহন করেন।

ইসলামে সারোগেসি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ১৭.৫% প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ জীবনের কোনো এক সময়ে বন্ধ্যাত্বে ভোগেন—অর্থাৎ প্রতি ৬ জনে ১ জন। তাই এটি একটি সাধারণ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সমস্যা।
এই আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, সারোগেসির বৈধতা নির্দিষ্ট পরিস্থিতি ও শরীয়াহভিত্তিক ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে। সে কারণে ইসলামী ফিকহে বিষয়টি এখনো বিতর্কিত হিসেবেই রয়ে গেছে।

ইসলামে সারোগেসি: সুন্নি দৃষ্টিকোণ

সুন্নি ইসলামি আইনশাস্ত্রে (ফিকহে) বেশিরভাগ আলেম সারোগেসিকে অনুমোদন করেন না। তাঁদের মূল যুক্তি হলো—সারোগেসিতে একজন তৃতীয় নারী জড়িত থাকে, যা সন্তানের বংশধারা (নাসাব) স্পষ্ট না করে অস্পষ্ট করে তোলে এবং নাসাবের মৌলিক নীতির বিরুদ্ধে যায়।
অনেক সুন্নি আলেম সারোগেসিকে পরোক্ষভাবে ‘জিনা’ (ব্যভিচার)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাজের মতো বলে তুলনা করেছেন, যদিও এখানে কোনো যৌন সম্পর্ক ঘটে না।
তবে সুন্নি মতে অনেক আলেম IVF বা IUI পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য মনে করেন, যদি—

  • শুধু স্বামী–স্ত্রীর জেনেটিক উপাদান (ডিম্বাণু ও শুক্রাণু) ব্যবহার হয়
  • কোনো তৃতীয় পক্ষ জিনগতভাবে যুক্ত না থাকে
  • ভ্রূণ স্ত্রীর নিজের গর্ভেই স্থাপন করা হয়

এই শর্তগুলো মানা হলে বংশধারা (নাসাব) নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় না এবং শরীয়াহর বিধানও লঙ্ঘিত হয় না।

contact us

ইসলামে সারোগেসি: শিয়া দৃষ্টিকোণ

শিয়া ইসলামে কিছু বড় আলেম নির্দিষ্ট শর্তে সারোগেসিকে অনুমোদন দিয়েছেন। ১৯৯৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ফতোয়া দেন যে, সারোগেসির মতো এমব্রিও ট্রান্সফার নিজে থেকেই শরীয়াহবিরোধী নয়, যদি এতে হারাম শারীরিক সংস্পর্শ বা জিনগত বিভ্রান্তি না হয়।
এই মতামত শিয়া ইসলামি আইনশাস্ত্রে বেশ প্রচলিত হয়েছে। এ কারণেই ইরানের মতো দেশে সারোগেসির পেশাদার ব্যবহার দেখা যায়।
কিছু শিয়া আলেম সারোগেসিকে wet nursing (দুধ খাওয়ানো মাতৃত্ব)-এর সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁদের মতে, এখানে সারোগেট মা শুধু ভ্রূণ বহন করেন, কিন্তু এতে সন্তানের বংশধারায় কোনো পরিবর্তন হয় না।
এই ধারণাটি শিয়া মাজহাবে সারোগেসির নৈতিকতা ও শরীয়াহ অনুযায়ী গ্রহণযোগ্যতা ব্যাখ্যা করতে ব্যবহার করা হয়।

সুন্নি বনাম শিয়া সারোগেসির তুলনা সারণী

সুন্নি বনাম শিয়া সারোগেসির তুলনা সারণী

ইসলামে কি সারোগেসি হারাম?

সুন্নি ইসলামিক আলেমদের একটি বড় অংশ সারোগেসিকে হারাম মনে করেন। কারণ এতে তৃতীয় পক্ষের শরীর ও ভূমিকা যুক্ত হয়, যা সন্তানের বংশপরিচয় এবং পারিবারিক সম্পর্ককে বিভ্রান্ত করতে পারে। পাশাপাশি শারীয়াহ মতে সন্তান জন্ম ও মাতৃত্ব শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মধ্যে থাকা উচিত।
তবে শিয়া আলেমরা সারোগেসিকে শরীয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে অনুমোদনযোগ্য মনে করেন, যদি—

  • বংশপরিচয় সংরক্ষণের শর্ত পূরণ হয়, এবং
  • সন্তান গ্রহণকারী বাবা-মায়ের জেনেটিক উপাদান (gametes) ব্যতীত অন্য কোনো জিনগত উপাদান ব্যবহার না করা হয়।

এই মত অনুযায়ী, এটি শরীয়াহবিরোধী নয়, এবং নির্দিষ্ট নৈতিক ও আইনি নিয়ম মেনে এটি করা যায়।

ইসলামে সারোগেসি

সারোগেসি সম্পর্কে কুরআন কী বলে?

কুরআনে সরাসরি “সারোগেসি” নিয়ে কোনো আলোচনা নেই, কারণ এটি একটি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি। তবু কুরআন পরিবার, বংশপরিচয় এবং বিবাহের মর্যাদা সংরক্ষণে গুরুত্ব দেয়। এই নীতির ভিত্তিতে আলেমরা সারোগেসির আইনগত ও নৈতিক দিকগুলো ব্যাখ্যা করেন।
সূরা যুমার (Az-Zumar), আয়াত ৬ এ বর্ণিত যেঃ
📜 آلـعَزِيزُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ ثُمَّ رَزَقَكُمْ مِنْهُ ۖ بَلْ أَكْثَرُ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ

কুরআনে সরাসরি “সারোগেসি” নিয়ে কোনো আলোচনা নেই, কারণ এটি একটি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি। তবু কুরআন পরিবার, বংশপরিচয় এবং বিবাহের মর্যাদা সংরক্ষণে গুরুত্ব দেয়। এই নীতির ভিত্তিতে আলেমরা সারোগেসির আইনগত ও নৈতিক দিকগুলো ব্যাখ্যা করেন।

সারোগেট বেবি কি হালাল নাকি হারাম?

সারোগেসির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশু হালাল না হারাম—এটি ইসলামী মতভেদের উপর নির্ভর করে।

  • সুন্নি মতে: এটি সাধারণত হারাম, কারণ এতে বংশপরিচয় অস্পষ্ট হতে পারে।
  • শিয়া স্কলারদের মতে: যদি সন্তান গ্রহণকারী বাবা-মায়ের শুক্রাণু ও ডিম্বাণু (gametes) ছাড়া অন্য কেউ জিনগতভাবে যুক্ত না থাকে, এবং সারোগেট মা শুধু ভ্রূণ বহন করেন, তাহলে সেই শিশু হালাল এবং এর জৈবিক সন্তান হিসেবে স্বীকৃত হতে পারে।

ইসলামে সারোগেসি অনুশীলনের শর্তগুলি কী কী?

যদিও কুরআনে সরাসরি Surrogacy উল্লেখ নেই, ইসলামী আলেমরা কিছু শর্ত ঠিক করেছেন যাতে এটি শরীয়াহর সীমার মধ্যে থাকে:

  • অভিভাবকদের উদ্দেশ্য-এর শুক্রাণু ও ডিম্বাণু ব্যবহার করা।
  • সারোগেট মা শুধু ভ্রূণ বহন করেন, জিনগত কোনো ভূমিকা না রাখেন।
  • বংশপরিচয় স্পষ্ট রাখা এবং পরিবার কাঠামো রক্ষা করা।
  • সকল পক্ষের সম্মতি ও মর্যাদা রক্ষা করা।

এই শর্তগুলো মেনে সারোগেসি ভারসাম্যমণ্ডিত এবং শরীয়াহ-সম্মতভাবে করা সম্ভব।

ইসলামে সারোগেসি

মুসলিমরা কি সারোগেট হতে পারে?

ইসলামে গর্ভধারক প্রক্রিয়া  নিয়ে আলেমদের মতপার্থক্য থাকলেও, গর্ভধারক মা হওয়া সম্পর্কেও কিছু সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা আছে। সাধারণত গর্ভধারকের ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হয়—বংশপরিচয় , পরিবারের মর্যাদা এবং নৈতিক আচরণ -এর প্রতি।
যদি গর্ভধারক মায়ের ভূমিকা শুধু গর্ভধারণ, পুষ্টি দেওয়া এবং শিশুর জন্ম পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে, এবং ইচ্ছুক বাবা-মায়ের জিনগত অংশ স্পষ্ট থাকে, তাহলে কিছু শিয়া মত অনুযায়ী এটি শরীয়াহ সম্মত হতে পারে।
তবে সুন্নি মতে, এটি বংশপরিচয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, তাই অনেক সুন্নি আলেম গর্ভধারক হওয়া অনুমোদন করেন না।

শিয়া ইসলামে কি সারোগেসি হারাম?

শিয়া স্কলারদের মধ্যে অনেকেই গর্ভধারক প্রক্রিয়া কে শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন করেছেন। বিশেষ করে, যদি ইচ্ছুক বাবা-মায়ের জিনগত উপাদান ছাড়া কেউ অন্য কোনো জিনগত ভূমিকা না নেন এবং গর্ভধারক মা (surrogate mother) শুধু ভ্রূণ বহন করেন, তাহলে এটি শরীয়াহ সম্মত।
কিছু ক্ষেত্রে, গর্ভধারক মায়ের ভূমিকা ভেজা নার্সিং (দুধ খাওয়ানো মাতৃত্ব)-এর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এ অনুযায়ী, গর্ভধারক মা শুধু শিশুকে পুষ্টি দেন, কিন্তু বংশপরিচয় ] পরিবর্তন করেন না।

২০২৬ সালে ইসলামে সারোগেসির পরিবর্তন

২০২৬সালে ইসলামী বিশ্বে সারোগেসির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে, তবে বহু দেশ এখনও এটি নিষিদ্ধ রেখেছে। UAE ও Saudi Arabia-এর মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে IVF পদ্ধতি কিছুটা গ্রহণযোগ্য, কিন্তু গর্ভধারক মা ব্যাপকভাবে বৈধ নয়।
অন্যদিকে, ইরান একটি বিশেষ অবস্থানে আছে—এখানে শিয়া আইনশাস্ত্র অনুযায়ী সারোগেসি এবং অন্যান্য প্রজনন প্রযুক্তি (ARTs) বহু বছর ধরে বৈধ এবং ক্লিনিকগুলোতে নিয়মিত ব্যবহার হচ্ছে।
এটি স্পষ্ট যে, গর্ভধারক মা হওয়া এখনও পুরো মুসলিম বিশ্বে বিতর্কিত, এবং এটি শর্তসাপেক্ষে অনুমোদিত। সামাজিক ও ধর্মীয় দিক থেকে এ বিষয়ে চর্চা ও আলোচনা চলমান।

উপসংহার

সারোগেসি ইসলামে একটি গভীর ও বহুস্তরীয় বিষয়, যেখানে শরীয়াহ, নৈতিকতা এবং আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান একসাথে বিবেচনা করা হয়।

  • অনেক সুন্নি আলেম মনে করেন, গর্ভধারণের জন্য তৃতীয় পক্ষের শরীর ব্যবহার বংশপরিচয় ও নৈতিক প্রশ্ন সৃষ্টি করতে পারে, তাই এটি নিষিদ্ধ।
  • অন্যদিকে, অনেক শিয়া আলেম নির্দিষ্ট শর্ত মেনে সারোগেসি অনুমোদন করেছেন—যেমন intended parents-এর নিজস্ব জিনগত উপাদান ব্যবহার এবং surrogate মা শুধু ভ্রূণ বহন করেন।

এই শর্তগুলো মেনে সারোগেসি শরীয়াহর বিরুদ্ধ নয় বলে বিবেচিত হয়। এই মতভেদ ইরানের মতো দেশে সারোগেসির আইনি ও ধর্মীয় সহায়তার ভিত্তি তৈরি করেছে, যেখানে বহু দম্পতি চিকিৎসাগত সহায়তা পান।
একইসাথে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিভিন্ন গবেষণা দেখাচ্ছে যে বন্ধ্যাত্ব একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা, এবং অনেক দম্পতি এর সম্মুখীন হন। এমন পরিস্থিতিতে শরীয়াহর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চিকিৎসা বিকল্প খুঁজে পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ইসলাম কি সারোগেসিকে অনুমোদন করে?

ইসলামে সারোগেসি নিয়ে একক সিদ্ধান্ত নেই। অনেক সুন্নি আলেম এটিকে অনুমোদনযোগ্য মনে করেন না, কারণ এতে তৃতীয় পক্ষের শরীর ও জিনগত অংশগ্রহণ যুক্ত হয়, যা lineage (বংশপরিচয়) নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে, অনেক শিয়া আলেম শরীয়াহর নির্দিষ্ট শর্তে এটিকে অনুমোদনযোগ্য মনে করেন, যদি—

  • Intended parents-এর নিজস্ব ডিম্বাণু ও শুক্রাণু ছাড়া অন্য কাউকে জিনগত ভূমিকা না থাকে, এবং
  • Surrogate মা শুধু ভ্রূণ বহন করেন।

. সারোগেসি কি ইসলামে mahram নিয়মের সাথে বিরোধ সৃষ্টি করে?

সুন্নি মতে: সারোগেসি বংশপরিচয় অস্পষ্ট করতে পারে, যার ফলে mahram সম্পর্ক বিভ্রান্ত হতে পারে। এজন্য অনেক সুন্নি আলেম এটিকে অনুমোদন করেন না।
শিয়া মতে: অনেক আলেম surrogate motherhood-কে wet-nursing-এর মতো ব্যাখ্যা করেন। যদি lineage স্পষ্ট থাকে, তাহলে mahram সম্পর্ক ঠিক থাকে এবং এটি শরীয়াহ সম্মত হতে পারে।

সারোগেসিতে অর্থ প্রদান কি ইসলামে জায়েজ?

সারোগেসিতে অর্থ প্রদানের বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
অনেক সুন্নি ও শিয়া স্কলার মনে করেন, যদি surrogate মাকে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হয়, তাহলে এটি শরীরের অংশের বাণিজ্যিকীকরণ (commercial) তৈরি করতে পারে এবং শরীয়াহর দৃষ্টিতে নিরুৎসাহিত।
তবে কিছু শিয়া মত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্ষতিপূরণ শুধুমাত্র intended parents-এর চিকিৎসা ও surrogate care-এর খরচ হিসেবে দেওয়া জায়েজ হতে পারে।

সারোগেসি কি মানব মর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ?

সমর্থকরা বলেন, সারোগেসি পরিবার, lineage এবং সন্তান লাভে সহায়তা করে, যা শরীয়াহর উদ্দেশ্য (maqasid)–এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সমালোচকরা মনে করেন, surrogate motherhood-এ মানবদেহকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হতে পারে এবং এটি বিবাহের পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করতে পারে। এজন্য নৈতিক ও সামাজিক দিকগুলো বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলামি দেশে সারোগেসি কি সাধারণ?

অনেক সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে সারোগেসি সীমিত বা নিষিদ্ধ। তবে শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইরান-এ এটি চিকিৎসাগতভাবে বৈধ এবং ক্লিনিকগুলোতে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়
ইরানে intended parents-এর জন্য surrogate motherhood অন্যান্য ARTs-এর জন্য সহজে সহায়তা পাওয়া যায়

تقييمك للمقال:

مقالات ذات صلة

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।